
তেজস্বিনী – কিছু গল্প না বললেই নয়।
তেজস্বিনী – কিছু গল্প না বললেই নয়।
Tk. 510Tk.580You Save TK. 70 (12%)
Reward points :10
Condition :New
Availability : In Stock
Cover : Hardcover
Indo Bangla Book
Latest Products
Tags
Details
বেডের উপরে টানটান করে সাদা চাদর বিছানো। তার উপরেই দীপক সান্যালের নিথর দেহটা শোয়ানো আছে। বুক পর্যন্ত সাদা চাদরে ঢাকা। চন্দন, ধূপ আর ফুলের গন্ধের সঙ্গে অদ্ভুত একটা নিস্তব্ধতা মিশে কোথাও যেন একটা শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। পারমিতা বৃদ্ধাবাসের অনেকেই এখন দোতলার এই ঘরের ভেতরে, বাইরে এসে সমবেত হয়েছেন, তাঁদের বন্ধুসম দীপক সান্যালকে শেষ শ্রদ্ধাটুকু জানাতে। “আপনাদের মধ্যে শরণ্যা মুখোপাধ্যায় কে?” সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে দোতলা সংলগ্ন বারান্দায় দাঁড়িয়ে সমবেত ভিড়কে উদ্দেশ্য করে কিছুটা হাল্কা চালে কথাগুলো ছুঁড়ে দিলেন তেজস্বিনী। কথাটা শুনেই সেখানে উপস্থিত অনেকেই পিছন ফিরে তাকালেন। সাদা রঙের কলকাতা পুলিশের ড্রেস পরা একজন মহিলা অফিসারের দিকে তখন অনেকেই হা করে তাকিয়ে আছেন। কিছুক্ষণ পরেই একজন ভদ্রমহিলা ভিড় ঠেলে এগিয়ে এলেন ভেতর থেকে। অফিসারের সামনে এসে উত্তর দিলেন, “আমিই শরণ্যা মুখোপাধ্যায়। এই পারমিতা বৃদ্ধাবাস আমারই। এখানে তো কোনও পুলিশ-কেস হয়নি। তাহলে আপনি, এই অসময়ে, এখানে?” “দীপক সান্যালের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত করতেই আমি এখানে এসেছি।” “কিন্তু আমরা তো কোনও অভিযোগ করিনি। তাছাড়া, লোকাল ডাক্তারও নর্মাল-ডেথ জানিয়ে ডেথ-সার্টিফিকেট লিখে দিয়ে গেছেন। এর মধ্যে তো আর কোনও রহস্য নেই। …” সাব-ইনস্পেক্টর তেজস্বিনী, কলকাতা পুলিশের একজন দাপুটে তদন্তকারী অফিসার। তাঁর তদন্ত করার পদ্ধতিটি আর পাঁচজন পুলিশ অফিসারের থেকে অনেকটাই আলাদা। নিজের উপরে অগাধ বিশ্বাস তাঁর। প্রতিটি কেসের কার্যকারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে একদিকে তিনি যেমন সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নিখুঁতভাবে জেরা করেন ঠিক তেমনই অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সুবিধাটুকু নিয়ে ক্রাইমের সঙ্গে ক্রিমিনালের একটা যোগসূত্র নির্মাণ করেন। তাঁর তৈরি করা এই পথেই কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া একের পর এক জটিল কেস সল্ভ হয়ে যায় নির্দ্বিধায়। শুধুমাত্র রহস্য উদ্ঘাটনের বর্ণনা নয়, সাম্প্রতিক অতীতে কলকাতা শহরের বুকে ঘটে যাওয়া এবং সংবাদপত্রে স্থান পাওয়া ঘটনাগুলোকে স্থান, কাল, পাত্র ভেদে কিছুটা পরিবর্তন করে এই বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে।




